নেককার নারীর গুণাবলি

নেককার নারীর গুণাবলি:-

১. নেককার : ভাল কাজ সম্পাদনকারী ও নিজ রবের হক আদায়কারী নারী।

২. আনুগত্যশীল : বৈধ কাজে স্বামীর আনুগত্যশীল নারী।

৩. সতী : নিজ নফসের হেফাজতকারী নারী, বিশেষ করে স্বামীর অবর্তমানে।

৪. হেফাজতকারী : স্বামীর সম্পদ ও
নিজ সন্তান হেফাজতকারী নারী।

৫. আগ্রহী : স্বামীর পছন্দের পোশাক ও সাজ গ্রহণে আগ্রহী নারী।

৬. সচেষ্ট : স্বামীর গোস্বা নিবারণে সচেষ্ট নারী। কারণ হাদিসে এসেছে, স্বামী নারীর জান্নাত বা জাহান্নাম,

৭. সচেতন : স্বামীর চাহিদার প্রতি সচেতন নারী। স্বামীর বাসনা পূর্ণকারী।

যে নারীর মধ্যে এসব গুণ বিদ্যমান,
সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভাষ্য মতে জান্নাতী।
তিনি বলেছেন,
“যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, রমজানের রোজা রাখে, নিজ সতীত্ব হেফাজত করে ও স্বামীর আনুগত্য করে, তাকে বলা হবে, যে দরজা দিয়ে ইচ্ছে জান্নাতে প্রবেশ কর।”

[কর।-মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ১৬৬১; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৪১৬৩]

হযরত আবু উমামা রা. হতে বর্ণিত,
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কোনো মুমিনের জন্য আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের পর নেককার স্ত্রীর চেয়ে কল্যাণকর কিছু নেই।
কারণ স্বামী তাকে আদেশ করলে সে আনুগত্য করে, তার দিকে দৃষ্টিপাত করলে সে (স্বামী) মুগ্ধ হয়।
তাকে নিয়ে শপথ করলে সে তা (শপথকৃত কর্ম) পূরণ করে।
স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজেকে (অন্যায়-অপকর্ম থেকে) এবং স্বামীর সম্পদ সংরক্ষণ করে।

[সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ১৮৫৭]

হযরত সাওবান রা. হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন,
সোনা-রূপা সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ!
আমরা কোন ধরনের মাল সঞ্চয় করব?
তিনি বললেন,
তোমাদের প্রত্যেকেই যেন সঞ্চয় করে কৃতজ্ঞ অন্তর,
যিকিরকারী মুখ এবং পরকালীন কর্মকান্ডে সহায়তাকারিনী মুমিনা নারী।

[মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ২৩১০১; জামে তিরমিযী, হাদীস : ৩০৯৪; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ১৮৫৬]



------------------ কপিরাইট:- নুরুজ্জামান নুর

Post a Comment

0 Comments